আর হজ্ব [447] ও ওমরাহ [448] সম্পন্ন করো আল্লাহর উদ্দেশ্যে। অতঃপর যদি তোমরা বাধাপ্রাপ্ত হও [449], তবে সহজলভ্য কুরবানির পশু [450] পাঠাও, এবং কুরবানির পশু নির্দিষ্ট স্থানে না পৌঁছা পর্যন্ত তোমরা মাথা মুণিও না [451]। আর তোমাদের কেউ যদি অসুস্থ হয় বা মাথায় কোনো কষ্ট হয় [452], তাহলে তাকে ফিদিয়া দিতে হবে — রোজা রাখা, সদকা দেওয়া অথবা কুরবানি [453]। অতঃপর যখন তোমরা নিরাপদ হও [454], তখন যে ব্যক্তি ওমরাহর সঙ্গে হজ্ব আদায় করে (তামাত্তু হজ্ব) [455], তার ওপর কুরবানি আবশ্যক — যা সহজলভ্য হয়। আর যে কেউ কুরবানির সামর্থ্য রাখে না [456], সে হজের সময় তিন দিন ও নিজ গৃহে ফিরে সাত দিন রোজা রাখবে — এইভাবে সম্পূর্ণ দশ দিন। এই বিধান কেবল তার জন্য, যে মক্কা অধিবাসী নয় [457]। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহর শাস্তি কঠোর।
হজ্ব বনাম ওমরাহ:
হজ্বের প্রকারভেদ:
ইহরাম গ্রহণ মানেই দায়িত্ব:
যেই মুহূর্তে কেউ হজ্ব বা ওমরাহর ইহরামে প্রবেশ করে, তখন সে এই ইবাদত পূর্ণ না করে বের হতে পারে না। এটি একটি দায়িত্বপূর্ণ ইবাদত যা সম্পূর্ণ করা ফরয।
বাধা সৃষ্টি হলে বিকল্প ব্যবস্থা:
কুরবানির ধরন:
মাথা মুণার সময়:
মাথায় সমস্যা হলে বিকল্প:
রোজা, সদকা, কুরবানি — তিন বিকল্প:
আসান পরিস্থিতিতে পূর্ণতা:
তামাত্তু হজ্বে দুটি ইবাদত একত্র:
রোজার বিকল্প:
মক্কাবাসীদের জন্য তামাত্তু নয়:
আল্লাহভীতি ও সতর্কতা:
For a faster and smoother experience,
install our mobile app now.
সূরা আল-বাকারা আয়াত 196 তাফসীর